কেউ তৃতীয় স্থানের ম্যাচ খেলতে চায় না, বলছেন টুচেল, দেশঁর প্রতিক্রিয়া, মেনে নিতে হবে
১৯৩৪ সালের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ থেকেই এই ম্যাচ আয়োজন হচ্ছে। বিশ্বযুদ্ধের আগে শেষবার এই ম্যাচ হয়েছিল ১৯৩৮-এর তৃতীয় বিশ্বকাপে। তবে ১৯৫০ বিশ্বকাপে এই ম্যাচ হয়নি। ১৯৫৪ থেকে প্রত্যেক বিশ্বকাপেই তৃতীয় স্থানের ম্যাচ হয়ে আসছে। জার্মানি সবচেয়ে বেশি চারবার তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

এক্সট্রাটাইম ওয়েব ডেস্ক
রবিবার ফাইনালের আগে শনিবার রাতে আর একটি ম্যাচ – তৃতীয় স্থানের ম্যাচ। সেমিফাইনালে পরাজিত দুই দল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যে ম্যাচটিকে ফিফা বলছে ব্রোঞ্জ ফাইনাল। যদিও এই ম্যাচের বিজয়ী কোনও ট্রফি পাবে না, তবে বেশি আর্থিক প্রাপ্তিযোগ ঘটবে।
১৯৩৪ সালের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ থেকেই এই ম্যাচ আয়োজন হচ্ছে। বিশ্বযুদ্ধের আগে শেষবার এই ম্যাচ হয়েছিল ১৯৩৮-এর তৃতীয় বিশ্বকাপে। তবে ১৯৫০ বিশ্বকাপে এই ম্যাচ হয়নি। ১৯৫৪ থেকে প্রত্যেক বিশ্বকাপেই তৃতীয় স্থানের ম্যাচ হয়ে আসছে। জার্মানি সবচেয়ে বেশি চারবার তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।
এবার তৃতীয় স্থানের পাশাপশি গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ের ক্ষেত্রেও এই ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। এখনও পর্যন্ত লিও মেসি আটটি গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট করে শীর্ষে আছেন মেসি। তিনি ফাইনালে খেলবেন, তাই গোল সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ পাবেন। আটটি গোল ও তিনটি অ্যাসিস্ট করে দ্বিতীয় স্থানের এমবাপে। তারপরেই রয়েছেন ৬টি করে গোল করা হ্যারি কেন ও জুড বেলিংহ্যাম। এঁরা প্রত্যেকেই খেলবেন তৃতীয় স্থানের ম্যাচে। সেখানে নিজেদের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজিত হয়েছে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার কাছে হেরেছে ইংল্যান্ড। এই ম্যাচের আগে ফ্রান্স ম্যানেজার দিদিয়ের দেশঁ বলেন, “তৃতীয় স্থান পাওয়ার জন্য আমরা সবকিছুই করব। এটা ঠিকই, যে আমরা যা চেয়েছিলাম, যা আশা করেছিলাম, সেটা হয়ত হয়নি, তবে এটা মেনে নিতে হবে।“
ইংল্যান্ড ম্যানেজার থমাস টুচেল বলেন, “তৃতীয় স্থানের ম্যাচ খেলতে কেউ চায় না। আমাদের ফুটবলাররাও চায় না. ফ্রান্সের ফুটবলাররাও চায় না। সবাই ফাইনালটাই খেলতে চায়। ফাইনালে খেলার জন্য আমরা সব কিছু দিয়েছি। প্রত্যেকেই ট্রফি জেতার জন্যই খেলেছে, কিন্তু সেটা হল না।“








